Bankura News: গর্বিত করলেন কৃশানু
চাঁদ থেকে তিন লক্ষ কিলোমিটার দূরে ইসরোয় বসে এই প্রজ্ঞানকে পরিচালনা করার দায়িত্ব যে বিজ্ঞানী দলের কাঁধে তাঁদেরই অন্যতম কৃষাণু নন্দী। বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের প্রত্যন্ত ডান্না গ্রামের কৃষাণুর এই সাফল্যে খুশি পরিবার আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, গ্রামবাসী এমনকি তাঁর গ্রামের স্কুলের শিক্ষকরাও। বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের প্রত্যন্ত ডান্না গ্রামে জন্মে বেড়ে ওঠা কৃষাণুর।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করেছে চন্দ্রযান ৩। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে পরিকল্পনা মাফিক কাজ শুরু করেছে রোভার প্রজ্ঞান। চাঁদ থেকে তিন লক্ষ কিলোমিটার দূরে ইসরোয় বসে এই প্রজ্ঞানকে পরিচালনা করার দায়িত্ব যে বিজ্ঞানী দলের কাঁধে তাঁদেরই অন্যতম কৃষাণু নন্দী। বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের প্রত্যন্ত ডান্না গ্রামের কৃষাণুর এই সাফল্যে খুশি পরিবার আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, গ্রামবাসী এমনকি তাঁর গ্রামের স্কুলের শিক্ষকরাও। বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের প্রত্যন্ত ডান্না গ্রামে জন্মে বেড়ে ওঠা কৃষাণুর। গ্রামের আর পাঁচটা সাধারণ চাষি পরিবারের মতোই পরিবারের আর্থিক অবস্থা। কিন্তু সেই অর্থনৈতিক অবস্থা চেপে রাখতে পারেনি কৃষাণুর প্রতিভাকে। ছোট থেকেই অত্যন্ত মেধাবী কৃষাণুর পড়াশোনা শুরু গ্রামেই। পরবর্তীতে গ্রামের পার্শ্ববর্তী বামিরা গুরুদাস বিদ্যায়তন থেকে মাধ্যমিক পাস করে তিনি ভর্তি হন বাঁকুড়ার কমলপুর নেতাজী হাইস্কুলে। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে কৃষাণু তথ্যপ্রযুক্তিতে বিটেক করেন কলকাতার আরসিসি ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশান টেকনোলজি থেকে। পরে যাদবপুর থেকে এম টেক করেন তিনি। এম টেক শেষ হওয়ার আগেই একই সাথে বিএসএনএল ও ইসরোতে চাকরী পান কৃষানু। প্রতিবেশীরা বলছেন বিএসএনএল অপেক্ষা বেতন কম জেনেও ইসরোর চাকরীতে যোগ দেন কৃষাণু। ইসরো চন্দ্রযান মিশন গ্রহণ করলে চাঁদের বুকে রোভারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের জন্য যে বিজ্ঞানীদলকে ইসরো বেছে নেয় তার মধ্যে স্থান পায় কৃষাণু। গতকাল চন্দ্রযান চাঁদের বুকে সফল অবতরণ করলে তার বুক থেকে বেরিয়ে আসে প্রজ্ঞান। এই প্রজ্ঞানকে পরিচালনার কাজেই আপাতত দম ফেলার ফুরসৎ নেই কৃষাণুর। গতকাল চন্দ্রযান অবতরণের পর ইসরোর বিজ্ঞানীদের উদযাপনের যে ছবি সরাসরি সম্প্রচারে ধরা পড়ে তাতে দেখা যায় সেই উচ্ছাসে যোগ দিয়েছেন কৃষানুও। কৃষাণুর এই সাফল্যে গর্বিত তাঁর পরিবার, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, গ্রামের মানুষ এমনকি কৃষাণুর ছোটবেলার স্কুলও। সর্বত্রই চলছে কৃষাণুর সাফল্যের উদযাপন।